শিরোনাম
লেখক ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য রিফাত মাহবুব সাকিবকে  বিশেষ সম্মাননা ও পুরুষ্কার প্রদান করা হয়     মানুষ আমাকে নিয়ে কী ভাবছে, এসব দুশ্চিন্তা অহেতুক: তামান্না     আল্লাহর ভালোবাসা পেতে মুমিন যে দোয়া পড়বেন     দুশমনের মোকাবেলায় যে দোয়া পড়বেন     কারিনার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনে রহস্যময় জবাব শহিদ কাপুরের     নিজের পর্নকাণ্ড দিয়েই অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন শিল্পার স্বামী?     নিজের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রানি মুখার্জী     শাকিবকে সুপারস্টার হিসেবে দেখেন না নিশো!     স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে না খেয়ে ৮ দিনের শিশুর মৃত্যু     ডাকাতি করতে গিয়ে শ্বশুরকে গুলি করে হত্যা: জামাতাসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড    

"ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব ৮"

" বি এম মনির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার | ১১:০৬ মিঃ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯



ফরিদপুরের শহরতলীর তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া আকলিমা আক্তার সোনিয়া (৩০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব ৮ ফরিদপুর কোম্পানি। হত্যার আগে সোনিয়াকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে ধর্ষণ করা হয়। এরপর হত্যা করে রাত ১১টার দিকে তালতলা এলাকায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায় হত্যাকারীরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রাসেল দেওয়ান নামে এক জনকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় ধর্ষণ ও হত্যায় ব্যবহৃত মাইক্রোটিও জব্দ করা হয়। বুধবার বিকেল ৩টায় এক প্রেস ব্রিফিং এ এসব তথ্য জানায় র‌্যাব ৮ ফরিদপুরের স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকার। তিনি জানান, সোনিয়ার লাশ উদ্ধার হওয়ার পরই ঘটনাটি নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব। তদন্তের এক পর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাসেলকে আটক করা হয়। তার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার কালুখালী এলাকার পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামে। ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে রাসেল। তার বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, সোনিয়ার প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে যোগসাজশ করে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে বর্তমান প্রেমিক। সেই মোতাবেক গত ১৯ তারিখ সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করে প্রেমিক। এ সময় একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয় সোনিয়াকে। প্রথমে তার প্রেমিক তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় প্রাক্তন স্বামী মাইক্রোবাসের ব্যাক ডালার মধ্যে লুকিয়ে ছিল। ধর্ষণ শেষে সে বের হয়ে সেও ধর্ষণ করতে চাইলে সোনিয়া চিৎকার শুরু করেন। তখন শহরের অম্বিকাপুর এলাকার কোন এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে মাইক্রোবাসচালক রাসেলের সহায়তায় প্রেমিক ও প্রাক্তন স্বামী মিলে ছুড়ি দিয়ে মাথার পিছনে কোপ দিয়ে হত্যা করে সোনিয়াকে। হত্যা শেষে লাশ গাড়িতে নিয়েই তারা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে। অবশেষে রাত ১১টার দিকে চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।


Designed & Developed by TechSolutions Plex Ltd.