৭ মার্চের ভাষণ জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবী: চলতি অধিবেশনেই
নিজস্ব প্রতিনিধি | ০৬:২৯ মিঃ, নভেম্বর ২২, ২০১৭
৭ই মার্চের ভাষণকে চলতি সংসদ অধিবেশনেই জাতীয় ভাষণ ও জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবী।
________________মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী
গত ২১শে নভেম্বর ২০১৭ইং বিকাল ৪.০০টায় বাংলাদেশ জাতীয় জোট বিএনএর হলরুমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের উদ্যোগে সংগঠনের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী হাওলাদারের সভাপতিত্বে ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জয় বাংলা মঞ্চের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবু আহাদ আল মামুন দিপু মীর জাতীয় জোট (বিএনএ)’র সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী খান, লোকশক্তি পার্টির সভাপতি শাহীকুল আলম টিটু, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আখতার হোসাইন বিন ফারুকী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক অলিউল্লাহ চৌধুরী ও ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টি, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মুফতি মাসুম বিল্লাহ তার বক্তিতায় বলেন,বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।প্যারিসের ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওর্য়াল্ডের ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারী হ্যারিটেজ(বিশ্ব ঐতিহ্য প্রামাণ্য দলিল)হিসেবে স্বীকৃতিই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।অতএব বিশ্ব যেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে যথার্থ মূল্যায়ন করেছে সেখানে আজ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষের মহাজোট সরকারে রয়েছে।তাই সরকারের নিকট চলতি সংসদ অধিবেশনেই ৭ই মার্চের ভাষণকে তিনি জাতীয় ভাষণ ও জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবী করেন।
সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালিদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে যে ভাষণটি দিয়েছিলেন, সেই ভাষণটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।সেই জন্য ইউনেস্কো-কে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।এছাড়াও তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণটিকে জাতীয় দিবস ঘোষণারও দাবী জানান।
