যমুনার তীর রক্ষায় একনেকে ৫৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন মির্জা আজমের প্রচেষ্টায়
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ জামালপুর প্রতিনিধি | ০২:৫৯ মিঃ, মার্চ ১২, ২০২০
একনেক বৈঠকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মানে ৫শ ৮৪ কোটি ৭২ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় মাদারগঞ্জ উপজেলায় খুশির বন্যা বইছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এই প্রকল্প পাশ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জামালপুরের ২৬ লক্ষ জনগনের উন্নয়নের কর্মবীর সারা বাংলার যুবকন্ঠ আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় মাদারগঞ্জ উপজেলার ১ নং চরপাকেরদহ-৪ নং বালিজুড়ি এবং বগুড়া জেলার জামথল এলাকায় নদী ভাঙ্গন থেকে তীর রক্ষার জন্য ৫শ ৮৪ কোটি ৭২ হাজার টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। এই খবর মাদারগঞ্জে পৌছার পর সারা মাদারগঞ্জ ও বগুড়ার চরাঞ্চরে খুশির বন্যা বইছে। এই প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় মাদারগঞ্জ উপজেলার আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবু জীবন কৃষ্ণ সাহা, সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল, মাদারগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির, বিআরডিবির চেয়ারম্যান অরুন কুমার সাহা, জামালপুর জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব দৌলত জামান দুলাল ও মোশারফ হোসেন বাদল,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান রহমতুল্লাহ রিমু, মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুর রহমান উজ্জল, সাধারন সম্পাদক জুলফিকার বাবলু, বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রিপন, কাজলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ সরকার ও কাজলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ তাইজুল ইসলাম তারা প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, মাদারগঞ্জ উপজেলা একটি নদীভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত উপজেলা। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থসহ ঐ এলাকায় নির্মাণ আধুনিক জুট কম্পোজিট মিল ও পাট গবেষণা কেন্দ্রসহ অনেক স্থাপনা হুমকির সম্মখিন হতে পারে। নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও বন্যার কবল থেকে মাদারগঞ্জ উপজেলাকে রক্ষার দাবী দীর্ঘদিনের। যত উন্নয়ন হয়েছে ও নির্বাচনী এলাকা মেলান্দহ মাদারগঞ্জ জামালপুরের ২৬ লক্ষ মানুষের উন্নয়নের রুপকার এই এলাকা থেকে ৬ ষ্ঠ বারের নিবার্চিত এমপি সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমের অবদান । প্রিয় নেতার প্রচেষ্টায় প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় মাদারগঞ্জ তথা কাজলা ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের আশা পুরণ হলো।
