শিরোনাম
লেখক ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য রিফাত মাহবুব সাকিবকে  বিশেষ সম্মাননা ও পুরুষ্কার প্রদান করা হয়     মানুষ আমাকে নিয়ে কী ভাবছে, এসব দুশ্চিন্তা অহেতুক: তামান্না     আল্লাহর ভালোবাসা পেতে মুমিন যে দোয়া পড়বেন     দুশমনের মোকাবেলায় যে দোয়া পড়বেন     কারিনার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনে রহস্যময় জবাব শহিদ কাপুরের     নিজের পর্নকাণ্ড দিয়েই অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন শিল্পার স্বামী?     নিজের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রানি মুখার্জী     শাকিবকে সুপারস্টার হিসেবে দেখেন না নিশো!     স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে না খেয়ে ৮ দিনের শিশুর মৃত্যু     ডাকাতি করতে গিয়ে শ্বশুরকে গুলি করে হত্যা: জামাতাসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড    

উওরাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাচালান ও হুন্ডি  ব্যবসায়ী চক্র আনারুল ও হাজ্বী তালেব

জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ এসএম রুবেল | ০৮:২৫ মিঃ, অক্টোবর ১, ২০১৯



বাংলাদেশের সিমান্তয় ঘেড়া উওরাঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি সিমান্ত এলাকা দিয়ে, ফের সক্রিয় বৃহত্তর মাদক, হুন্ডি ব্যাবসায়ী মাফিয়া চক্রের মূল হোতা হিসেবে ভারত, বাংলাদেশে এক নামে পরিচিত আনারুল (৪৫আনুঃ) পিতা আলহাজ্ব সাজ্জাদ আলী, সাবেক গ্রামঃ চড়বাকডাঙ্গা ইউঃ এর বাকড় আলী গ্রাম। বিশ্বস্ত সূএ নিশ্চিত করেন নাম ঠিকানা প্রকাশ না করার শর্তে অএ সিন্ডিকেটটি তে শিবগঞ্জ থানাধীন হাজ্বী তালেব (আনুঃ৫০) নামে আরও এক হুন্ডি ও মাদক সম্রাট আনারুল এর সাথে যুক্ত হয়, এদের নেতৃত্বে উওরাঞ্চলে বিভিন্ন দেশ হতে প্রবেশ হচ্ছে, বিভিন্ন মাদক যথাক্রমে ☞ ফেনসিডিল, হেরোইন,ইয়াবা, গান পাউডার সহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র বেশ কয়েকটি দেশ জুরে এ চক্রটি বিগত ৪-৫ বছর যাবৎ এ চোরাকারবারি করে গোপনে চক্রটি কালো টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। দেশ হতে বিনীময় করছে সোনার বার।

সূএে জানাযায় আনারুল গ্রামের অন্যান্য ১০ জনের মতো সাধারণ জীবণযাপন করতো এক সময়, হঠাৎ ৪-৫ বছর পূর্বে লুঙ্গীপড়া ছেড়া পোষাক পরিহিত লোকটি একজন মাদক পাচারকারী, বহনকারী হিসেবে সমাজে পরিচিত হতে থাকে, তার বেশ পোষাকেও দেখাযায় বেশ লহ্মনীয় উন্নতি মাদক এর কালো টাকা অবৈধ আয়ে, জানা গেছে আনারুল আনুঃ (৪৫) উওরাঞ্চল হতে চট্রগ্রামের হালিশহর সহ। দেশের বিভিন্ন অঞচলে হেরুইন সহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ ও ডেলিভারী করতে শুরু করে। চট্রগ্রামে হেরুইন সরবরাহ ও ডেলিভারীর কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত নামা হাজ্বী সাহেব নাম বলে সমাজে পরিচিত এক ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগ হয়, অতঃপর। এ হাজ্বী কালোবাজারীর সাথে যুক্ত হতে বড় একটি অফার করলে আনারুল সেই সিন্ডিকেটে ঐ মাদক সম্রাট হাজ্বীর সাথে যোগদান করেন। হাজ্বি চোরাকারবারীর আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিদের সাথে আনারুলের যোগসাজোস করিয়ে দেয়। 

এ চক্রটি সেখান থেকেই উওরাঞ্চলের প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ে প্রথমে ইয়াবার ডিলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।  বিশ্বস্ত সূএে জানা গেছে যে, গত ৪-৫ বছর ধরে দেশের সকল প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর করে কালোবাজারী করে প্রচুর পরিমানে কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলেছে। সূএ বলে আনারুল হাজ্বী তালেব সহ চক্রের বেশ কয়েকজন ইন্ডিয়ার সিবিআই এর তালিকাভূক্তদের মধ্যে অন্যতম এরা। এরা বর্তমানেও সক্রিয় হয়ে গোপনে খুব দহ্মতার সহিত প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে ডুবাই, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, ইন্ডিয়া হয়ে বাংলাদেশের পুরো উওরাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার মাদক ও অগ্নেয়াস্র সরবরাহ করে স্বর্ণের বার এর বিনীময়ে কখনোওবা ক্যাশ এর বিনীময়েও চলছে এ অবৈধ রমরমা মাদক ও হুন্ডি বাণিজ্য।

সূএ নিশ্চিত করে আনারুল ও হাজ্বী তালেব চক্রটি একটি শক্ত ও মজবুত সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে উপরউল্লেখিত দেশগুলো হতে, চোরাচালান নিয়ন্ত্রন করে থাকে। চক্রটি মজবুত ও এতো সক্রিয়তার পেছনে রয়েছে চট্রগ্রামের সেই অজ্ঞাত নামা হাজ্বী, সেই হাজ্বীর প্ররোচনাতেই শুধু নয় চট্রগ্রামের টেকনাফের চোরাকারবারী সকল বড় বড় সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত আনারুল। আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীব্যাক্তি গণের ভিতর হাজ্বী তাদেরই মধ্যে অন্যতম একজন বলেও সূএ নিশ্চিত করে। চক্রটি বিশেষ করে হুন্ডি চক্রের মাধ্যমে এ অবৈধ কালোবাজারীর লেনদেন বেশির ভাগ করে আসছে বিগত বছর চার-পাঁচ ধরে। এ চক্রটি সরকার ও প্রশাসনের চোখে ধূলো দিয়ে বেশ জমকালো ভাবে এ হুন্ডি ব্যাবসার মাধ্যমে অন্যান্য দেশ হতে সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে, বাংলাদেশ সরকারের সকল নিষিদ্ধ মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধ পন্থায় আমদানী করছে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য দেশের উওরাঞ্চলগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ সহ ৫টি থানা , দেশ হতে বিনীময় করছে স্বর্ণের বার।

সূএ নিশ্চিত করে ইন্ডিয়ান সিবিআই তালিকাভূক্ত, চোড়াচালান কারবারিদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিশেষ ভাবে পরিচিত কিছু ব্যাক্তি, কালোটাকার বিনীময়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন একই পরিবারের কয়েকজন ভাই, তাদের সহযোগীতার মূলে আড়ালে রয়েছে আনারুল ও হাজ্বী তালেব চক্রের সহযোগীতা। তারা মিলে বাংলাদেশ হতে সিন্ডিকেটটি পরিচালনা করে আসছে গোপনে, এদের সাথেও আনারুল আনুঃ (৪৫) ও হাজ্বী তালেব আনুঃ(৫০)চক্র সক্রিয় হয়ে অবৈধ কালোবাজারীর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে অঢেল কালো টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। এখনো অবৈধ বানিজ্য করেই চলেছে, এদের লাগাম টেনে ধরার যেনো নেই কেউ এদেশে এমনটি মতামত পাওয়া গেছে শিবগঞ্জের অনেকের মুখে।

বিশেষ করে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের উওর পশ্চিমাঞ্চলের মূল হুন্ডিবাজ,  কালেবাজারীর মূল হোতা হিসেবে এখন সম্পূর্ণ সক্রিয় হিসেবে আনারুল (৪৫ আনুঃ), ও হাজ্বী তালেব (৫০আনুঃ) আইন প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে, প্রশাসনের নাকের ডগার সামনে দিয়ে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে খুব রমরমা জমকালো আকাড়ে হুন্ডি ব্যাবসা কালো বাজারীর ব্যাবসা সকল প্রকার অবৈধ মাদক ও প্রাণ নাশের মত আগ্নেয়াস্ত্র যমজমাট আকারে চালিয়ে আসছে বিগত ৪-৫ বছরএরও বেশি সময় যাবৎ আনারুল ও শিবগঞ্জের হাজ্বী তালেব চক্র। 

ইতি পূর্বে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ বিষয়ে ব্যাপক লেখালেখির পরও প্রশাসনের নিরবতায় স্থানীয়রা বিশ্মিত। স্থানীয় বাসিন্দারা এদের হুমকির ভয়ে মুখ না খুলতে চাইলেও বেশ কয়েকজন নাম পরিচয় গোপন রেখে বলে যে, লিখালিখি অনেক হওয়া সত্যেও অপরাধীরা কালো টাকার বিনীময় পার পেয়ে যায়। স্থানীয় অনেকেরই মতামত পাওয়া গেছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনার এ বিষয়ে সু-দৃষ্টি দেয়ার, তবেই সঠিক বিচার হতে পারে বলে আশাবাদী স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গগণেদের। এরা চোরাকারবারী করে একাধিক বহুতল ভবনের মালিকও হয়ে উঠেছে বনে রাতারাতি। সূএ কয়েকটি বাড়ির জায়গার ধারনা দিয়ে বলেন ১.রাজশাহীর পদ্ধা গার্ডেন ২. ঢাকার কল্যাণপুুরে ৩. চট্রগ্রাম হালিশহর, ৪, এমনকি টেকনাফ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক বাড়ী ও ফ্লাট নিয়ে রেখেছে আত্মগোপনার্থে। আনারুুুল চক্ররের জাতীয় আইডি কার্ডে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর থানাধীন উপজেলার পিটিআই সংলগ্ন মাষ্টটারপাড়ার ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে বিশেষ গোপন সূএে।

 


Designed & Developed by TechSolutions Plex Ltd.