শিরোনাম
লেখক ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য রিফাত মাহবুব সাকিবকে  বিশেষ সম্মাননা ও পুরুষ্কার প্রদান করা হয়     মানুষ আমাকে নিয়ে কী ভাবছে, এসব দুশ্চিন্তা অহেতুক: তামান্না     আল্লাহর ভালোবাসা পেতে মুমিন যে দোয়া পড়বেন     দুশমনের মোকাবেলায় যে দোয়া পড়বেন     কারিনার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনে রহস্যময় জবাব শহিদ কাপুরের     নিজের পর্নকাণ্ড দিয়েই অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন শিল্পার স্বামী?     নিজের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রানি মুখার্জী     শাকিবকে সুপারস্টার হিসেবে দেখেন না নিশো!     স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে না খেয়ে ৮ দিনের শিশুর মৃত্যু     ডাকাতি করতে গিয়ে শ্বশুরকে গুলি করে হত্যা: জামাতাসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড    

 ৩২বছর ধরে ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালান দরিদ্র কয়সার আলী

রুহুল আমিন রুকু(কুড়িগ্রাম)জেলাপ্রতিনিধিঃ | ০৫:৪৪ মিঃ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯



কয়ছার আলী বয়স ৬৩ বছর বয়সের ভারে শক্তি না থাকলেও সংসারের তাগিদে বিভিন্ন হাট-বাজার স্কুল-মাদ্রাসা মাঠে। ভ্যানযোগে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে সংসার ভরণপোষণ যোগাতে হয় তার আর কতদিন চলবে এভাবে।

জানাগেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের মধ্য কদমতলা ফজলের মোড়, এলাকায় বাঁধ রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র কয়সার আলী  পৈত্রিক সূত্রে যেটুকু জমি ছিল তা কয়েক বছর পূর্বেই কুড়িগ্রাম ধরলা নদী ভাঙ্গনে দিন দিন গেছে।৭১এর স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করলেও মা-বাবার আদরের পুত্র তাই কয়সার আলিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে দেননি। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর যেটুকু আবাদী জমি ছিল তা দেখাশুনা করে সংসার চলত কয়সারের পরিবারের গত ৩৫ বছর আগে আবাদি জমি ধলা নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে যায়। সংসারে দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন প্রথম পত্র বাবা-মা পর ওপারে চলে যান।  কিছুদিন দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন পরে হাল ধরেন ঝাল মুড়ির ব্যবসা যেটুকু আয় হয় তা দিয়ে চলেন কায়সার আলীর পরিবার গত ১০ বছর পূর্বে বসতভিটা জায়গাটুকু কুড়িগ্রাম ধরলা নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে যায়। আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে তিনি অবশেষে স্থানীয় গ্রামবাসীর পরামর্শে বাঁধ রাস্তায় আশ্রয় নেয় পরিবারসহ। অদ্যবধি হাতে তিনি বাঁধ রাস্তা সংলগ্ন সরকারি খাস জমিতে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই নেয়। ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাই ঝাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের কাছে ২/৪ টাকা করে ঝাল মুড়ি বিক্রি করার সময় প্রতিবেদক সাথে কথা হয় কায়সার আলীর  এসময় তিনি হাউ মাউ করে কেঁদে উঠেন জানান ৩২ বছর থেকে এই ব্যবসা করে আসতেসি আর পারছিনা। পরিবারে স্ত্রী সন্তান নাতিপুতি কে নিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে ভরণপোষণ করছি। একটু সরকারি সাহায্য পেলে আরে ব্যবসা করতাম না ২০ বছর পায়ে হেঁটে ব্যবসা করতাম ব্যবসা করতাম। ২/১টাকা করে জমা  করে একটি ভ্যান কিনেছি তা দিয়ে বিভিন্ন হাট বাজারে স্কুল-মাদ্রাসায় স্কুল মাদ্রাসা ব্যবসা করেচলছি তেমন আয় উন্নতি না থাকায় বেসরকারি এনজিওগুলো আমাকে কিস্তিতে ঋণ দিতে চায়না। সরকারিভাবে কোন সুযোগ সুবিধা পাই না। ইউপি সদস্য আবু সাঈদ এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

Attachments area


Designed & Developed by TechSolutions Plex Ltd.