‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমায় ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে কঙ্গনা, টিজারেই বাজিমাত
বিনোদন ডেস্ক | ০৮:১১ মিঃ, জুন ২৫, ২০২৩
অবশেষে সামনে এসেছে বহুল আলোচিত বলিউড সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’। ভারতের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর লুকে আগেই চমকে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এবার ইন্দিরা-রূপী কঙ্গনার কন্ঠতেও পাওয়া গেয়েছে চমক। যদিও সিনেমাটি ইন্দিরা গান্ধীর বায়োপিক নয়, সত্তরের দশকে দেশে জারি ‘জরুরি অবস্থা’র প্রেক্ষাপটে নির্মান করা হয়েছে এটি। তা স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী ও পরিচালক কঙ্গনা।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (২৪ জুন) ইনস্টাগ্রামে ‘ইমার্জেন্সি’র প্রথম ঝলক শেয়ার করেছেন সিনেমার পরিচালক ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেছেন সিনেমা মুক্তির তারিখও।

টিজারটি শেয়ার করে কঙ্গনা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আসুন সাক্ষী থাকি আমাদের দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারময় অধ্যায়ের যখন দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, তারই দেশের জনতার বিরুদ্ধে।’
১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের টিজারের শুরুতেই স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ২৫ জুন, ১৯৭৫। পুলিশের ওপর ইট বৃষ্টি করছে উত্তেজিত জনতা। রাস্তায় আগুন জ্বলছে। এরপরই সংবাদপত্রের শিরোনামে লেখা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরই শোনা যায় অনুপম খেরের কণ্ঠ। জেলবন্দি একজন ‘বিরোধী দলনেতা’ তিনি।
সিনেমায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জয়প্রকাশ নারায়ণের চরিত্রে দেখা যাবে অনুপম খেরকে। যিনি জেপি নারায়ণ নামেই সমাধিক পরিচিত। অভিনেতাকে বলতে শোনা গেল, ‘ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারতম অধ্যায় এটি, এটা সরকার রাজ নয়, অহঙ্কার রাজ। এটা আমাদের নয়, এই দেশের মৃত্যু’।
ইন্দিরার ‘একনায়কতন্ত্র’-এর বিরুদ্ধে এখানে আওয়াজ তুলতে দেখা গেল জেপি নারায়ণকে। তারপরই দেখা মিলল কঙ্গনার। বলতে শোনা গেল, ‘এই দেশের রক্ষা আমাকেই করতে হবে, কেউ রুখতে পারবে না। কারণ, ইন্ডিয়া মানেই ইন্দিরা, আর ইন্দিরা মানেই ইন্ডিয়া।
মূলত ১৯৭৫ সালের জুন মাস থেকে ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ পর্যন্ত, একটানা ২১ মাস ভারতে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। সেই সময়কালই ধরা পড়েছে এই সিনেমায়। তবে এটি যে ইন্দিরা গান্ধীর বায়োপিক নয়, তা আগেই স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী-পরিচালক কঙ্গনা। আসন্ন সিনেমাটিতে কঙ্গনা ও অনুপম খের ছাড়াও আরও দেখা মিলবে মহিমা চৌধুরী, মিলিন্দ সোমান, শ্রেয়স তালপেড়ে এবং প্রয়াত অভিনেতা সতীশ কৌশককে।
