শিরোনাম
লেখক ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য রিফাত মাহবুব সাকিবকে  বিশেষ সম্মাননা ও পুরুষ্কার প্রদান করা হয়     মানুষ আমাকে নিয়ে কী ভাবছে, এসব দুশ্চিন্তা অহেতুক: তামান্না     আল্লাহর ভালোবাসা পেতে মুমিন যে দোয়া পড়বেন     দুশমনের মোকাবেলায় যে দোয়া পড়বেন     কারিনার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনে রহস্যময় জবাব শহিদ কাপুরের     নিজের পর্নকাণ্ড দিয়েই অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন শিল্পার স্বামী?     নিজের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রানি মুখার্জী     শাকিবকে সুপারস্টার হিসেবে দেখেন না নিশো!     স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে না খেয়ে ৮ দিনের শিশুর মৃত্যু     ডাকাতি করতে গিয়ে শ্বশুরকে গুলি করে হত্যা: জামাতাসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড    

গুপ্তধনের লোভ দেখিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক, আশাটিভি নিউজ | ০৭:৫১ মিঃ, জুলাই ১৯, ২০২৩



বরিশাল সদর উপজেলায় গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ভণ্ড ফকির ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে ভণ্ড ফকির ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৯ জুলাই) বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি গ্রামের আশ্রাব আলী হাওলাদারের ছেলে ফকির হেলাল হাওলাদার (৪৯) ও তার সহযোগী বরিশাল নগরীর বেলতলা এলাকার ইউনুস মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া এবং কলাপাড়া উপজেলার গঙ্গামতি এলাকার লাল মীরার ছেলে জাফর মীরা (৪৬)।

পুলিশ জানায়, ফকির হেলাল কর্নকাঠি এলাকার আমিরুল ইসলামের বাগানবাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে চাকরি করতেন। তবে নিজেকে ফকির দাবি করে ঝাড়ফুঁক দেন। কিন্তু ভণ্ড ফকিরের সহযোগী মীরা ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়ার প্রলোভন দেখায়। এ কারণে ভুক্তভোগী নারীকে আসনে বসার প্রস্তাব দেয়। এ ছাড়াও গুপ্তধন পেলে নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। পরে প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে গত ১৫ জুলাই বিকেলে ভুক্তভোগী নারীকে মীরা ওই বাগান বাড়িতে নিয়ে যান।

 

ভণ্ড ফকির ও তার সহযোগী

ভণ্ড ফকির ও তার সহযোগী

এদিকে একই দিন গভীর রাতে ভুক্তভোগী নারীকে আসনে বসিয়ে নানা তন্ত্রমন্ত্র ঝাড়ফুঁকের নাম করে ভণ্ড ফকির হেলাল ও মীরা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে গত ১৬ জুলাই ভোরে ভুক্তভোগী নারীকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনার পরদিন গত ১৭ জুলাই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় ধর্ষণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল জানান, ভুক্তভোগী নারীর মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত হেলাল জানান, লোকে তাকে ফকির উপাধি দিয়েছে। ঝাড়ফুঁক দিলে লোকজন ভালো হয়েছে বলে দাবি করে তার কাছে আসতো। কিন্তু কোনো তন্ত্র-মন্ত্রই হেলাল জানে না। একই সঙ্গে আসামিরা ভুক্তভোগী নারীকে ধর্ষণের কথাও স্বীকার করেছে।


Designed & Developed by TechSolutions Plex Ltd.