কচুয়ায় লাউ চাষে কৃষকের সফলতা।

আবু সায়েম মৃধা কচুয়া থেকে | ০৮:২৭ মিঃ, নভেম্বর ১৫, ২০১৭



কচুয়ায় লাউ চাষে কৃষকের সফলতা।
শীত মৌসুমে লাউয়ের ভালো ফলন পাওয়ায় সারাবছর লাউ চাষ করার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন কচুয়ার মানুষ।  এ অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষকই উচ্চ ফলনশীলজাতের লাউ আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। এবার কচুয়া অঞ্চলে ২০০ হেক্টর লাউ চাষ হয়েছে। ধানের জেলা এই অঞ্চলে লাউ চাষে আগ্রহী হয়েছেন অধিকাংশ কৃষক। লাউ চাষ করে অনেক কৃষকের ঘুড়েছে ভাগ্যের চাকা। জমিতে গ্রীষ্ম মৌসুমে অন্যান্য সবজির থেকে উচ্চ ফলনশীন লাউ চাষ আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন কচুয়া অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষক। প্রতি লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন কৃষক। কৃষকরা বলছেন, আগে বীজতলা ছাড়া লাউয়ের আবাদ হতো না। তবে গত দুইবছর ধরে উচ্চফলনশীল আবাদ করে বর্তমানে আমরা লাভবান হয়েছি। তেমনি একটি চিত্র ফুটে উঠেছে কচুয়া উপজেলার পালাখাল গ্রামে। পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের পশ্চিমে ৪৮ শতাংশ জমি বালু ভরাট করে লাউ চাষাবাদ করে শাহজালাল মিয়া। এতে তাঁর মোট ব্যয় ৮৫ হাজার টাকা। তিনি এর মধ্যে প্রায় ১ লক্ষ টাকার লাউ বিক্রি করেছেন। 
লাউ চাষ করা লাভবান এক কৃষক শাহজালাল মিয়া বলেন, দীর্ঘ একমাস ধরে লাউ বিক্রি করছি। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ পিস লাউ বিক্রি করে থাকি। কষ্ট করে বাজারে নিয়ে যেতে হয় না বাইরে থেকে লোক এসে লাউ কিনে নিয়ে যায়। এদিকে আমি লাউ চাষ করে অনেক টাকা লাভবান হয়েছি। মোট ব্যয়ের চেয়ে অধিকাংশ মুনাফা অর্জন করতে পারব আমি আশাবাদী। 
জমি ফেলে না রেখে লাউয়ের পাশাপাশি ওই জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজিরও চাষাবাদ করছেন কৃষকরা। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকার এসে নগদ টাকায় জমি থেকেই কিনে নিচ্ছেন লাউ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, যেহেতু হাইব্রিড লাউ সেহেতু এই লাউ সারাবছর চাষ করা যায়। এ কারণে দেখা যাচ্ছে লাউ চাষীরা একবিঘা জমিতে ত্রিশ থেকে চল্লিশ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করছেন। লাউ চাষে কচুয়া অঞ্চলের কৃষকরা আগ্রহ বাড়ছে।