বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের আয়োজনে শোকদিবসে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি | ০৩:১৩ মিঃ, আগস্ট ১৯, ২০২০
বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের আয়োজনে শোকদিবসে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল । মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। শনিবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর মেইনরোড চিলিস রেস্টুরেন্টে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীনতার মহান নায়ক বাঙালি জাতির অগ্রদুত, বাংলার আপামর জনসাধারণের নয়নের মনি বাংলার রাখাল রাজা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ২ আসনের আওয়ামী লীগের কান্ডারী ও বাংলাদেশ জননেএী শেখ হাসিনা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জননেতা জনাব মোঃ মনির খান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ সেই ভয়াল কালোরাতে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সে সকল শহীদ সদস্যদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
বাংলাদেশ জননেএী শেখ হাসিনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জননেতা জ্বনাব মনির খান বলেন বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক,শিক্ষিকা, ছাত্র জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আন্দোলন সংগ্রাম অংশ নিয়েছিলেন শুধু তাই নয় দীর্ঘ ১৮ মিনিটের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি বুঝতে পেরেছিল আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই দেশ স্বাধীন করার ডাক এসেছে ঐ পাকিস্তানি হায়েনার ও কুলাঙ্গারের কবল থেকে এ দেশকে রক্ষা করতে সেদিন ঝাপিয়ে পড়েছিলেন লক্ষ লক্ষ বাংলার দামাল ছেলেরা ও বিরঙ্গনারা। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ রক্ত আর ২ লক্ষ ৬৯ হাজার মা বোনের সম্ভ্রমহানীর বিনিময়ে বাংলা পেল স্বাধীনতার লাল সূর্য। সেই লাল সবুজের রেস ধরেই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলার বাংলাদেশ । আজকের লাল সবুজের বাংলাদেশ। সেই প্রয়াত মহান নায়ক বঙ্গবন্ধুর কারণেই আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি যার জন্ম না হলে বাংলা নামক শব্দ টি খুজে পাওয়া যেত না, লাল সবুজের পতাকা পেতাম না । ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট সেই ভয়ানক কালো রাত্রীতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ী ঘেরাও করে কিছু উচ্চ বিলাসী সেনাকর্মকর্তারা তৎকালিন মেজর জিয়াউর রহমানের যোগসাজসে বৃষ্টির মত গুলি ছুড়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু ও তার সহধর্মিণী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। দেশের বাহিরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য ২ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহেনা। পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলার মানুষের শান্তির জন্য দুঃখ দুর্দশা লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের হত্যা করেও ক্ষান্ত হননি এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কেও বার বার হত্যার পরিকল্পনা করে ও কিছু করতে পারে নি। জনগণের সুখ দুঃখে যে পাশে আছে সেই মাননীয় নেত্রীর সাথে সয়ং আল্লাহ আছে। যার কারণে খুব সুন্দরভাবে দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তাই আসুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনার সু স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় আমরা সকলেই এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করি ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব জাহেদুল হক। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কক্সবাজার ৪ আসনের এমপি প্রার্থী মিসেস মনোয়ারা বেগম চৌধুরী মুন্নি, বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট কামরুল আহসান মিল্টন, বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আকবর, বাংলাদেশ জননেএী শেখ হাসিনা পরিষদ সাংগঠনিক সম্পাদক ডালিয়া পারভীন সালমা, কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ ফারুক এবং বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সহ-সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ জেলা ও উপজেলা শাখা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ১ মিনিট নিরাবতা পালন শেষে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।