এস আই মোবারক হোসেন নিজের পরিধান পরালেন রাস্তার পাগলকে- বললেন- ওরা মানুষ

মো: আকাশ মিয়াজী | ০৫:০৪ মিঃ, আগস্ট ২৫, ২০১৯



পাগলের প্রতি দারোগা মোবারক হোসেনের ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত 

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মোবারক হোসেন রাস্তার পাগলের প্রতি বিরল ভালোবাসার দৃষ্টান্তে কচুয়া জুড়ে আলোচনা। 

গত কাল সাচার বাজারে পাশ্ববর্ত পালাখালের মানসিক রুগি ( পাগল) মো: শরীফ কে ধরে সেলিনে নিয়ে যায়।
 মাথা ভর্তি অতিরিক্ত লম্বা এলো মেলো ঝাক ঝাক চুল, গোপ, ছাঁটিয়ে দেয়।

 পাগলটির ময়লা ও আর্বজনা শরিল পরিষ্কার পরিছন্ন করতে গায়ে থাকা নোংরা পরিধান খোলে
 নিজের ব্যবহারীত লুঙ্গি পড়িয়ে গোসল করান। 

  দারোগা মো: মোবারক হোসেন  নিজের ব্যবহারীত ক্রীমও তৈল, পাগলটির মুখেও  শরীলে দিয়ে দেন। পাগল কে নিজ কক্ষে বসিয়ে রেখে কাপড়ের দোকান থেকে শার্ট, প্যান্ট  ও নতুন লুঙ্গি কিনে এনে পড়াতে চাইলে পাগল শরীফ গায়ে দেয়নি।

বহুবার বার পরাতে চাইলেও তিনি পরেনি, একটু চুপ থাকার পর হাত দিখিয়ে দিলেন দারোগার পরিধান গেঞ্জির দিকে, পাগলের পছন্দন কৃত নিজের গেঞ্জি সাথে সাথে পাগলটির গায়ে পরিয়েন দেন মানবতার ফেরিওয়ালা সময়ের আলোচিত সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মোবারক হোসেন।

রাস্তার পাগলের প্রতি দারোগা মো: মোবারক হোসেনের  এমন বিরল ভালোবাসার দৃষ্টান্ত দেখে অনেকে তাকে মানবতার ফেরিওয়ালা বলছেন। জনগণের নিরাপত্তার পাশা পাশি মানসিক রুগিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় দারোগা মো: মোবারক হোসেন এখন নিজের সর্বত্র লোকের ভালোবাসায় সিক্ত।

বিভিন্ন সময় রাস্তার পাগলের প্রতি এমন আন্তরিকতা কেন? জানতে চাইলে - দারোগা মো: মোবারক হোসেন বলেন- আমাদের মত তারা মানুষ। এরাও কারো সন্তান, কারো বাবা অথবা কারো মা, জ্ঞানহীনতার কারনে আজ তাদের পরে থাকতে হয় রাস্তা ঘাটে, আমাদের মায়া মমতা পেলে হয়তো স্বাভাবিক জ্ঞান ফিরে আসবে তাঁদের মাঝে।

আজ যাদের পাগল বলে দূরে সরাচ্ছি কিংবা অবহেলা করছি আল্লাহ ইচ্ছা করে অনেক এমন করতে পারে।

কাজেই আমাদের উচিত রাস্তার পাগল ও মানসিক রুগিকে অবহেলা না করে  ভালোবেসে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনার চেষ্টা।